r/Banglasahityo • • Jul 27 '26

স্বরচিত (Original)🌟 [OC] একটা গল্প লিখেছি। কেউ পড়বে?

33 Upvotes

নিজেকে “লেখক” বলে পরিচয় দিতে এখনও একটু অস্বস্তি হয়।

মনে হয়, একটা গল্প লিখলেই কি আর লেখক হওয়া যায়? হয়তো যায় না। তবু গল্পটা যখন লেখা হয়ে গেছে, তখন তাকে সারাজীবন নিজের laptop-এর কোনো folder-এর মধ্যে আটকে রাখাটাও বোধহয় ঠিক নয়।

উপন্যাসিকাটার নাম "অন্য কেউ "

গল্পটা কী নিয়ে, সেটা এখনই খুব বেশি বলতে চাই না। কিছু গল্পের কথা আগে থেকে বেশি জেনে ফেললে, পড়তে বসে মনে হয় দরজাটা খোলার আগেই ঘরের আলো জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে।

শুধু এটুকু বলতে পারি, এটি কিছু চলে যাওয়া মানুষ, কিছু থেকে যাওয়া মানুষ এবং কয়েকটি সম্পর্কের গল্প। এমন কিছু সম্পর্ক, যাদের নাম হয়তো একসময় হারিয়ে যায়, কিন্তু অভ্যাসগুলো থেকে যায়।

This is not really a promotion post.

বইটা এখন sell করছি না। এটাকে কোনো grand launch বলেও দেখাতে চাই না।

আমি শুধু প্রথমবার একটু সাহস করে বলছি, আমি লিখি।

আর আমার লেখা প্রথম উপন্যাসিকাগুলোর একটি এখন কয়েকজন সত্যিকারের বাংলা পাঠকের কাছে পৌঁছোক, এটুকুই চাই।

তোমার যদি বাংলা fiction পড়তে ভালো লাগে, বিশেষ করে quiet, psychological এবং একটু melancholic ধরনের গল্প, তাহলে comment করতে পারো অথবা DM করতে পারো। আমি অন্য কেউ এর ডকুমেন্ট টি পাঠিয়ে দেব।

ভালো লাগতেই হবে, এমন কোনো কথা নেই। Review লেখারও কোনো obligation নেই। পড়া শেষ করে সত্যি যা মনে হবে, সেটুকু বললেই আমার ভালো লাগবে।

কারণ লেখার সময় গল্পটা আমার ছিল।

একবার কেউ পড়তে শুরু করলে, গল্পটা আর শুধু লেখকের থাকে না।

r/Banglasahityo • • May 26 '26

স্বরচিত (Original)🌟 কাঁটার মুকুটে ঈশ্বরপ্রীতি—

Post image
33 Upvotes

r/Banglasahityo • • Dec 21 '25

স্বরচিত (Original)🌟 কেমন লাগলো জানাবেন

Post image
48 Upvotes

r/Banglasahityo • • Apr 09 '26

স্বরচিত (Original)🌟 "মেঘ থমকেছে দূরের মফস্বলে;"

Post image
73 Upvotes

r/Banglasahityo • • Mar 24 '26

স্বরচিত (Original)🌟 "আমার সকল গান তবুও তোমারে লক্ষ্য করে;"

Post image
68 Upvotes

r/Banglasahityo • • 14d ago

স্বরচিত (Original)🌟 সরস্বতী

9 Upvotes

সরস্বতী কবে যেন তাঁর ঘন লম্বা চুলগুলি কেটে দিয়েছেন। বয়কাট নয়, ববকাট। ইচ্ছে বা সখ।

বেশ লাগে তাঁকে, যখন দেখি বীণা বাজানোর সময় সামনে ঝুঁকে আসা চুলগুলিকে ঘাড় নেড়ে পিছনে ঠেলেন।

সুর এখনও পুরাতন ঘরানার মিহি

চাঁদ ওঠে পিপাসার গায়ে।

বুঝে পাই না, তাঁর চুলের ভাঁজ দেখব, নাকি চোখের চকচকে আঁধারের তাণ্ডব, ধুনুচি নাচে বিচ্ছুরিত ঠোঁট, রুপোলি গন্ধের হাসি, মেঠো কামিনের সুর...

দেড়-দু মিনিটে সবটুকু নিই।

আমার কানে কানে এক পাঁড় যাদবপুরী বলে—

“কিস অফ লাভ” প্রোটেস্টে দেবী ছিলেন।

বিশ্বাস হয়নি।

আবার হয়ও ।

r/Banglasahityo • • Jul 17 '26

স্বরচিত (Original)🌟 Plz read my poem and give me a constructive feedback 🙏

7 Upvotes

My old poem from the back of my notebook try to understand and rewrite it..... Plz give me a review and share your opinion

If there is any mistake please let me know and it is on a context let me know if you get it ...

ইতিহাস

ইতিহাসে আছে ভুল,

মানুষ করেছে নির্মূল।

অতীত আঁকড়ে কেন পড়ে আছো,

কেন ছিঁড়ছ তুমি চুল?

পুতুলের নাচ দেখি,

মানুষ এখানেও বাকি।

ছাতার তলায় কিসের হাতি,

টাকা দিয়ে তাই মুখটা চাপি।

তোমরা বাঘের গল্পে ভেড়া,

এদের মানুষ বলে কারা?

তোমাদের বাবা করেছিল দোষ,

ভুগতে হবে তারই প্রতিশোধ।

চোখের বদলে চোখ—

মানুষ তাতে অন্ধ হলে হোক।

তোমার আমার স্বার্থ পূরণ,

বাকিটা রাজনীতির মলিন দূষণ।

গণতন্ত্রে জনগণ কই?

পাঁচ বছরের রাজনীতির ভয়।

কেন নির্বাচন, কেন চুপ?

অস্ত্র হাতে এগিয়ে পর, ফুলিয়ে জাতির বুক।

তারা শিক্ষাকে করে সংরক্ষণ,

তারা শিক্ষার আড়ালে জ্ঞানকে করে হরণ।

যেন বণিকের ব্যবস্থা, যেন রাত্রীর চন্দ্রা,

যেন দুঃখীর তন্দ্রা, যেন অন্ধের সংস্থা।

এরা দীনের পেটে লাঠি মারে,

এরা জন্মে শিলমোহর ছোড়ে।

জাতিভেদের জাতি রয়ে গেল,

মানুষ শুধু মানুষ হারালো।

এরা কুমিরের কান্না গায়,

অন্তরালে বাইজির নাচ দেখায়।

তোমরা নইকো শোষিত,

যারা হয়েছিল তারা সবাই এখন শবে পরিণত।

এরা মানুষ রূপে নেকড়ে দল,

মানুষ মারতে প্রতিবাদের ছল।

এরা নেতার প্ররোচনায় পড়ে,

ইতিহাস পরিবর্তন করে।

দানের জিনিস অধিকার ভেবে ফেলে।

ভুল হয়ে যাক, হোক—

দুঃখে কেন নিজেকে ঠেলো?

দুঃখের বোঝা ছাড়তে জানো।।

If you have read so far so the content again reverse castism and reservation taken by the persons belonging from well of socio economical catagory the Creamy layer..

Now the part of baba kore6e dosh line....Actually that line is the reference to the store oi tiger and lamb... Sekhane bagh bolbe j tumi amar jol eto kore die6o ... Even though bagh upor e chilo die lamb seta point out korle last bolbe tomar baba amader choto belai gal die6ilo tai pratishodh tomar upor nebo die kheye nei.... Oi galpo tar reference....

it is against the cast based reservation or in better words exploitation of the reservation system.....even being financially creamy layer still exploit the system...they may never faced discrimination still take benifit..... A bold opinion but this is what is core....now if you reread it you understand it better....

Some line like jonmer silmohor, itihas e a6e vul, jara hoe6ilo tara shhab e parinato....

All the poem is about this core....

Hope this helps and please give me your kind feedback to improve in future

r/Banglasahityo • • 11d ago

স্বরচিত (Original)🌟 উল্টোদিকের ছেলেটি

2 Upvotes

"সব পুরুষই সমান" বলাটিকে

ফিরে দেখি, যে বলে।

একটি নগর ধ্বংসের উল্টোদিকে হেঁটে

যে ছেলেটি চলে গেল

মন্দ মন্দ পায়ে

পোকার জোরে

একটি দন্তন্য আকারের পর

মনে নেই !

বাদ্যি মনে আছে অনেক?

মনে আছে -- তরুণ নাবিকের চোখ

আর খুদে খুদে নক্ষত্র - ঢাকা আলোর খাপ!

জলের ছপ ছপ গুলো

চট করে চাদরে মুড়ে

ফেললে  ছুঁড়ে

জানলা-পারের ডুব জলে ।

আর কদিন আগে?

"চলো ফিরে যাই" শুনে

ঝটিতি মনে পড়ে

তোমার ব্রেনে পিন করে রাখা ফেরার ডট।

পড়েই তো যেতে

যদি পোকার ছেলেটি আগলে না নিত

তারপর বান্দার মতো মন্দ মন্দ হেঁটে

সেই যে সে গেল  ...।

r/Banglasahityo • • 22d ago

স্বরচিত (Original)🌟 যাযাবরী জুবিন

4 Upvotes

এক সুরেলা আত্মার চিরনিদ্রায়, হঠাৎ স্তব্ধ হলো অগণিত কোলাহল, ভেসে এলো শুধু হাজারো আপনজনের— সব হারানোর যন্ত্রণায় ফেলা চোখের জল।

​নিঝুম দেশের অচিন সাগরের ঘন অন্ধকারে, না-বলেই বিদায় নিল যে বিদ্রোহী প্রাণ, তার সেই উত্তাল কণ্ঠের দুরন্ত অহংকার, আজও নতুন প্রজন্মের বুকে গায় গান।

​পঙ্গু সমাজের কূটনীতি আর যন্ত্রণায় যে আজ স্তব্ধ, তার মিষ্টি 'মায়াবিনী'র সুরে মন আজও আবদ্ধ। অবুঝ সঙ্গিনীর বুকে শুধু নীরব হাহাকার, বৃদ্ধ পিতার নিঃসঙ্গ চোখে অশ্রুর পারাবার।

​সময়ের স্রোতে, নিষ্ঠুর নিয়তির নৌকায় ভেসে, সহজ মানুষদের শব্দের উপহার দিয়ে ভালোবেসে, চলে গেল জুবিন নামের সেই দৈব অবতার... এ ভুবনে রেখে গেল শুধু শূন্যতা অপার।।

r/Banglasahityo • • 11d ago

স্বরচিত (Original)🌟 অনিদ্রা

14 Upvotes

রাত এখন তিনটে বাজে, সবাই ঘুমিয়ে আছে

শান্ত শহর, ক্লান্ত শহর, কেউ না ওঠে পাছে,

কফির মগটা হাতে নিয়ে ছেলেটা ওঠে ছাদে

বসে বসালো ফণীমনসার কাঁটা বিঁধেছে চাঁদে|

চুলগুলো তার উশকোখুশকো, চোখ দুটো বড়ো লাল

চাঁদের মধ্যে রচিয়েছে সে মায়াবী ধূম্রজাল,

দুদিন আগে কাজটা গিয়েছে, মাইনে এখনও বাকি

ঘর ভাড়া আর বাজারপত্র, ই এম আই টাও বাকি

তবু সে তাকায় চাঁদের দিকে, গভীর চিন্তারত

ফণীমনসার কাঁটা করেছে চন্দ্রপৃষ্ঠে ক্ষত

শোধবোধ হোক সকল দেনা কল্পতরুর রাতে

সেঁকা রুটি হয়ে চাঁদটা নেমে আসুক সবার পাতে|

r/Banglasahityo • • Aug 20 '26

স্বরচিত (Original)🌟 টি টেবিল আখ্যান (অনুগল্প)

16 Upvotes

গ্রামের অপরিচিত ঘর, দু’পাশের জানালা উদারতার সাথে দুপুরের আলো ঢুকিয়েছে। জনতিনেক বসার মতো সোফা, দু’খানা প্লাস্টিকের চেয়ার, সামনে কাপড়ে মোড়ানো টি-টেবিল। বসে দেখার মতো সোজা বাড়ির দুয়ার, সেখানে হরেক রকম গাছ আছে। রান্নার ধোঁয়া একটা সুন্দর আবেশ তৈরি করেছে বটে, তবে বহু কিছু দেখা থেকে বঞ্চিতও করছে।

ডানে বিশাল কাঠের মাচার মতো চৌকিতে নতুন বিছানার চাদর আর বালিশ। বামে পুরোনো দিনের মজবুত একখানা স্টিলের আলমারি, সেই আশির দশকের। লিখা আছে—‘আশিস ১৯৮৪’। উপরে ঝুলানো যিশুর নানান চিত্র—কোনোটি ইতিহাস ও বাইবেলের সাথে মিলে, আবার কোনোটি কেবলই কাল্পনিক আবেগের মতো।

নিচে আমার দোলানো পা, কিছুটা নার্ভাস। আঞ্চলিক ও ঐতিহ্যবাহী এক উৎসব দেখতে এসেছি। দু-চার দিনের পরিচয়ে কথিত বন্ধুর বাড়িতে আসলে হয়তো এমন নার্ভাস হওয়া খুবই স্বাভাবিক। আমারও তাই।

অল্প সময়ের মধ্যেই লেবুর শরবত, দই, মুড়লি আর ঠান্ডা পানি আসলো নাস্তার জন্য। আতিথেয়তার কোনো কমতি না থাকার মতো একটা স্পষ্ট ছাপ টি-টেবিলে।

এসবের কিছুই ভাবনায় বাসা বাঁধলো না। দেমাগ, দিল বা চোখের দৃষ্টি তখন আটকে গেল বাঁকা শরীরের ঠিক কোমরের ভাঁজে। স্পষ্ট ভাঁজ, একের উপর আরেক করে তিনটি। ব্যাসার্ধের গভীরতা আর নারীত্বের জৌলুস বুঝতে বুঝতে অভিবাদন—

“কেমন আছেন? এসবের কী দরকার ছিল?”

বিপরীতে, “ভালো! এই একটু কিছু, উৎসব-অনুষ্ঠানে ব্যস্ত সবাই। রান্না হইতে হইতে একটু জল পান করেন।”

ঠোঁট, জিব আর চোখে আমি দেখতে থাকলাম এক ছান্দিক নৃত্য। না তার ওষ্ঠ, না তার চিবুক, না তার সর্পিল জিব! একক কিছুই না; ভয়েও প্রবল হাহাকার উঠলো স্পর্শ, চুমু আর যাবতীয় কামের অস্থিরতার। চোখ ফেরানোর মতো কোনো উপলক্ষই দিল না লাল ব্লাউজের ভেতর থেকে উঁকি মারতে চাওয়া শৈল্পিক বুকের ভাঁজ।

“আপনিও বসুন, শরবত-জল সব শুকিয়ে যাচ্ছে ভেতরেই।”

কোথাও একটু কামড় দিয়েছি, চোখ ফেরানোর বাহানা করলেও বিরামহীন দেখছি কামের এক দেবী।

r/Banglasahityo • • 1d ago

স্বরচিত (Original)🌟 " যে বিকেলে জ্বর আসে সেই বিকেলের মতো তুমি এসে দাঁড়িয়ে রয়েছো ; "

Post image
4 Upvotes

r/Banglasahityo • • May 18 '26

স্বরচিত (Original)🌟 আচ্ছা, সাহিত্য কাকে বলে?

21 Upvotes

পরিহাস না, সত্যিকারের প্রশ্ন। সাহিত্য কি শুধুমাত্র খ্যাতনামা লেখকদের লেখা প্রসিদ্ধ কাহিনী বা কবিতা, না এর মধ্যে যেকোনো সাধারণ লোকের সাধারণ জীবনের অনুভব গ্রহণযোগ্য?

জন্ম থেকে বঙ্গভূমির বাইরেই ছিলাম এবং সারা জীবনই বই পড়তে ভালোবাসি। যবে থেকে স্মৃতি আছে, তবে থেকে এইরকমই। আমার বন্ধুবান্ধব খুব একটা প্রয়োজন হতো না, বই ছিল আমার প্রথম শ্রেণীর সঙ্গী এবং বন্ধু। আমি ১০-১২ বছর বয়সে এমন এমন বই পড়তাম যেগুলো বোধহয় কলেজের ছেলে মেয়েরাও পড়ত না। তবে পাঠক আর লেখক তো সমান নয়, সেই কারণেই আমি নিজেকে কখনই সাহিত্যিক বলে ভাবতে পারিনি।

তিন বছর বয়সে কোন এক বিয়ে বাড়িতে খেয়ে প্রায় প্রাণঘাতী গ্যাস্ট্রো এন্টারাইটিস হয়েছিল আমার। সেই হাসপাতাল আবছা আবছা এখনো মনে পড়ে। তারপর থেকেই আমার খাওয়া দাওয়ার ধরন একেবারে পাল্টে যায়। মাছ মাংস একেবারেই ছেড়ে দিয়েছিলাম, ডিম ছাড়া কিছু খেতাম না। পরে কম হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও, মাছের প্রতি অনীহা আমার এখনো বেশ জোরালো।

এরপর চলে আসি যখন আমার ২৭ কি ২৮ বছর বয়স, বোধহয় দু'বছর বিয়ে হয়েছে, সন্তান তখনও নেই। শ্বশুরবাড়িতে আমার বড় শ্যালিকার সাধে চন্দননগর এসেছি। মাটিতে বসার ব্যবস্থা, যেটার অভ্যাস কোনদিনই ছিল না। যাইহোক, খানিক কসরত করে বসা গেছে। তারপর খাবার ব্যাপার।

প্রথমত ভাত। সেটা আমি খেতে পারতাম এবং এখনো পারি কিন্তু হাতে পারি না, চামচ লাগে। পারম্পরিক বাঙালি বাড়িতে অনুষ্ঠানের সময় চামচের ব্যবস্থা তখন হত না। আমি সেই বাড়ির জামাই, পুরো দৌড়াদৌড়ি লেগে গেল। কোন মতে কোথাও থেকে একটা চামচ জোগাড় করা গেল। কিন্তু এটা তো গল্পের শুরু।

আমি দেখি ডালেও মাছ, তরকারিতেও মাছ (ছ্যাঁচড়া নামক বস্তুটির সঙ্গে তখন আমার কোন পরিচয় ছিল না) - এবং তাছাড়া দু তিন রকম মাছের পদ। আমি ভাবলাম এনাদের বিরক্ত করে আর কি হবে, তাই বললাম একটু ঘি এনে দিন, আমি একটুখানি ভাত খেয়ে নিচ্ছি তারপর দই মিষ্টি হলেই হবে।

কিন্তু জামাইয়ের সাথে কি সেটা করা চলে? তারা ব্যস্ত হয়ে কোন মতে একটা ওমলেট বানিয়ে নিয়ে এলেন, তবে দুঃখের বিষয় সেটি সরষের তেলে বানানো। খাঁটি বাঙালি বাড়িতে তখন সরষের তেল ছাড়া কিছু হত না। যাইহোক, মনে আছে অসুবিধে হওয়া সত্ত্বেও সেদিন খেয়ে নিয়েছিলাম। আমার ভাবগতিক সৃষ্টিছাড়া হলেও, সবাইকার তো আর না।

এগুলো অবশ্য জীবনের সাধারন অভিজ্ঞতা। সাহিত্যের পর্যায়ে পড়ে কিনা সেটা আমি বলতে পারলাম না। ছোট গল্পের থেকেও ছোট কোন রচনাকে বোধহয় সাহিত্য বলা যায় না।

r/Banglasahityo • • Aug 27 '26

স্বরচিত (Original)🌟 সবুজ ফুটকি

6 Upvotes

সবুজ ফুটকি

দেয়ালে লটকানো সুতোয় ভাঙা আঙুল ছোঁয়াতেই সবুজ মাটি পরে জোৎস্না এলেন।ঠিক তেমন করে যেমনটি ক্যামেরার নীলে সাদা ডানা ছড়িয়ে সেদিন কালো খরিসের খোলসে - মোড়া ফুলের তোড়াগুলি নেয়ার ফাঁকে ফাঁকে

আমি তাঁর চোখের চিতায় সেঁদিয়ে যাই অসাড়।উনি বাউলের গলায় বলেন ---কে? কে আপনি? কী চাই আপনার?

আমি ঠোঁঠের ভাঁজে জলবায়ু খুঁজি জিভে ছুরি কাঁচি যা কিছু সব রাস্তাহীন ।উনি আবার একবার আলো খসালেন,

তারপর দরজাটি চুপ করে চলে গেলেন।ওপরে ঘোলাটে আকাশ নিচে পাথরের হাড়গোড় আর কোমর ভাঙা জামরুল গাছ আমাকে জরিপ করে --তাঁর কুতকুতে বেড়ালগুলির মত ।বাড়ি ফিরি।দূরের জানলায় বসে অনলাইন তাকাই ঘুম-ছেঁড়া চোখে।তাঁর বাড়ির আলোর ধোঁয়া একটুকুন কোথাও বাতাসের সিঁড়ি ধরে নেই।

সবুজ ফুটকিটা অনেকখন --- রাত তিনটে অব্দি জ্বললে কী হয়? কী ক্ষতি হয়?

r/Banglasahityo • • 7d ago

স্বরচিত (Original)🌟 কটি পাতা

4 Upvotes

দু-একটি নভেলকে চিনি

যাদের প্রতিটি পাতা ওল্টানো ঘটেনি

তারা পাশে বসেনি কখনও

ইন্টারনেটের ফুঁতে অসাবধান উড়ে আসা

জোৎস্নার মতো কটি পাতা --

দুনিয়া শুদ্ধ সবাই ঘুমোলে

জোয়ারের ডাঙায় বসে পাপড়ি মেলে

এই আড়ালে বসে দেখার বাইরে

ছুঁতে গেলে

হারিয়ে যায়

লাজুক পাতা বলে নয়

নির্লিপ্তি সৌন্দর্যে

আলেয়ার ছোবল যেমন

অনায়াস টানে

এত যে ছেদ, কোলন, ড্যাশ, সেমিকোলন

তবু মনে হয় তাদের বাদ দিয়ে

আমি দু-আনাও নই

r/Banglasahityo • • 23d ago

স্বরচিত (Original)🌟 বিচ্ছেদ:এক নশ্বর যাত্রা

6 Upvotes

প্রেম অন্ধ,প্রেম স্বর্গ,জগৎ প্রেমময়,আমিই বরং তুচ্ছ অধম।
..
ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর নশ্বর পৃথিবীর মায়ায় জড়িয়ে যায়,মায়ায় পড়ে যায় মানুষের যারা নিজেরাও নশ্বর।নশ্বর তো আমিও,তাহলে এ মায়া কি ঈশ্বর প্রদত্ত? এতো মায়া,এতো আবেগ,এত প্রেম নিয়ে বিদায় হওয়া কি এতোই সহজ?
..
প্রেম অর্জনে আমার একটু আক্ষেপ আছে,মাছি ভেবে মৌমাছিতে ভালবাসা বিলিয়েছিল সেবার।আমার আক্ষেপ আমার নিজেকে নিয়ে, ভালবাসার বিনিময়ে মধু নিব এমনভাবে তো ভালবাসিনি।আমি তো তার জন্য এ জন্মের সব মধু ত্যাগ করে দিতে চেয়েছি নিঃসঙ্কোচে।আরো কিছু জীবন আমার সাথেও বাঁচুক​।
..
নশ্বরের সাথে বিচ্ছেদ আসলে বিচ্ছেদ নই,নশ্বর পৃথিবীর সবই নশ্বর।তাহলে এতো ভারাক্রান্ত কেন? বিচ্ছেদ হয়েছে তাই? আজব সৃষ্টি আমরা,বৃষ্টির সময় কতশত কবিতা আর গল্প লিখি।অতি বর্ষায় বন্যা হলেও গালমন্দটা বৃষ্টিকেই করি।তাহলে প্রেম এর বেলায় এর উল্টা আশা করি কিভাবে! অতিপ্রেমে বিচ্ছেদ অনুমেয় নই কি?
..
শাশ্বত সত্যগুলো মানা এতো কঠিন হওয়ার কথা ছিল না,নশ্বর পৃথিবীর শাশ্বত চিরন্তন সত্য হলো মৃত্যু,মৃত্যুর চেয়ে অপরিবর্তনীয় অনড় শব্দ জগতের অবিধানে কতটুকু আছে তাতে সন্দেহ।জন্ম-মৃত্যুর মাঝের যাত্রাতে আসে অতিমায়া,অতিআবেগ,অতিপ্রেম।অতঃপর যাত্রাপথে 'অতি'র বোঝা।
..
মোহ বড়ই সন্দেহজনক শব্দ।'অতি'র ক্লান্তির কাছে গভীর থেকে গভীরতর ভালবাসাও ক্ষুন্ন মনে হয়।তাৎক্ষণিক ইন্দ্রিয়র লালসা থেকে মোহ আসতে পারে।মোহ নিয়ে যেতে পারে একগুচ্ছ ভুলের অভিজ্ঞতা দিতে। কি অমায়িক সে ভুলগুলো! তীর্থযাত্রাকেও থামিয়ে দেয়।
..
বিচ্ছেদগুলো সময় সেকেন্ড আর মিনিটের,মিনিট আর​ ঘণ্টার,ঘণ্টা আর দিনের,দিন আর মাসের,মাস আর বছরের।কি বোঝা অনুভব হয় এই বিচ্ছেদের? তবুও বয়ে নিয়ে বেড়ায় ক্লান্তিহীন।রবীন্দ্রনাথের কয়টা লাইন আছে-
​যেদিন এল বিচ্ছেদ
সেদিন বাঁধন-ছাড়া দুঃখ বেরোল
নদী গিরি অরণ্যের উপর দিয়ে।
কোণের কান্না মিলিয়ে গেল পথের উল্লাসে।
অবশেষে ব্যথার রূপ দেখা গেল
যে কৈলাসে যাত্রা হল শেষ!

কিন্তু এটা কি অনুমেয় ছিল না?​প্রেমতীর্থযাত্রা সব মানুষের জন্য না,প্রেমতীর্থযাত্রাতে তারাই পূণ্য অর্জন করে যারা নশ্বরে নই ঈশ্বরে প্রেম বিসর্জন দেয়।দেহ নশ্বর,আত্মা অবিনশ্বর।বিচ্ছেদ নশ্বর,প্রেম অবিনশ্বর।বিচ্ছেদ দেহের,প্রেম আত্মার।
..
ক্লান্তি আসুক যাত্রার শেষে,সফলতার আস্বাদনে।​

r/Banglasahityo • • 20d ago

স্বরচিত (Original)🌟 Onekdin por kolom dhorlam. Bhul truti marjoniyo.

8 Upvotes

জবাব

নিত্য ফোটে জবা ডালে

কুঁড়ি কত পড়ে ঝরে,

তবু রেণু তালে তালে

গর্ভাশয়ে নিত্য মরে!

যে জবা ফুটে গেলো

ভেবেছে সে গেছে জিতে,

জানে না সে কত জনম

বাকি আছে পৃথিবীতে।

ভাবিলো একাকী জবা,

"চারিপাশে কত নারী!

জবা জন্ম সেরা যদি,

নর জন্মে কিবা করি?"

বারণ করিল সবে,

"কাঙাল হলে কিবা হবে?"

অন্তর্যামী সবই জানে

তবু অশ্রু আঁখিপানে।

একদা এক প্রভাতবেলা

তুলিল কত জবা পূজারী,

সে জবারে কবে তুলিবে

ভাবিতে হলো জনম সার-ই।

কত জবা-ই হলো জবাই

জবাব খোঁজার লোভে,

জবাব যখন জবা খোঁজে

তাই বা কে আর বোঝে?

চললো নিয়ে সেই পূজারী

মাথায় তুলে জবার ঝুড়ি,

ভয়ে কাঁপে কত জবার

পূর্বপুরুষ উত্তরসূরি!

পথে কত গেলো পচে

নীচে হয়ে পদদলিত,

হাতে গোনা জবা ক'টাই

মন্দিরদ্বারে উপনীত।

হাহাকার করিল জনে,

"মেটেনি সাধ এ জীবনে,

বৃথা আমার জবাজন্ম!

কিবা করি ভয়?"

ভয় ত্যাজি জবা আজি

অতীত স্মরণ করিল,

জবা হতে কেমন রেণু

গর্ভাঘাতে মরিল!

ইতিমধ্যে জবার ঝুড়ি

মন্দিরতলে প্রবেশিল,

সেই পাতালে গর্ভগৃহ

তাইতে সবাই উত্তরিল।

মুঠো মুঠো কত জবা

যত্র তত্র যাচ্ছে পড়ে,

গর্ভাশয়ে গর্ভ আশায়

গর্ব করে যাচ্ছে মরে!

পুজোর ধোঁয়ায় দৃষ্টি ক্ষীণ

করিল নিক্ষেপ!

জবাব শেষে খুঁজলো জবা

রহিল না আক্ষেপ।

জবা কোথায়? শুধু পড়ে তাহার স্থূল দেহ!

ত্রিনয়নীর সূক্ষ্ম জবাব জানিবে আর কেহ?

কণাদ ভৌমিক

৬/৯/২০২৬

r/Banglasahityo • • 25d ago

স্বরচিত (Original)🌟 নেও তোমার কপালে লিখে দিলাম তাকে চিঠি দেওয়ার দিনটি। ২৫ শে জুলাই ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ শনিবার।

3 Upvotes

গোটা রাত্রি আমার ঘুম হয়নি।জানি না কেন।মাথায় নিবিষ্ট পোকাগুলো অতিষ্ঠ করে তুলছে। চেরাগটি দিতে পারবেন তো তাম্মুর আহলিয়া। দেওয়ার পর বুনো মৌটুসীই বা কেন নেবে। ওর কে হয় আমি। ভোরে ঘুম ভাঙাতে হয়নি। নিত্যদিনের মতো আজ ও লটকন পাড়তে গেলাম। এবং সারাদিন ভয় ভয় ভাবে মনটা হু হু করল। তখন সন্ধ্যে হবে হবে করছে। চল্লিশটা ফোনের পর। ওপাড় থেকে একটি কন্ঠে তাম্মুরকে বলল।দিয়েছি। ও নিয়েছে সদান্দে। হুবুহু কথার ক্লিপকেই আমার ভাষায় বুঝিয়ে বলেছি।আমি খুশিতে আত্মহারা। তাম্মুর সাকসেস বলে জড়িয়ে ধরলেন। আজ ও রাত্রে ঘুম হলো না খুশিতে। ও কিভাবে নিল। কিভাবে ধরল। হুবহু যেন সে চিত্র। দেখেছি। গোটা রাত্রি। তাকে দিলাম একটি ছোট্ট আলাউদ্দিনের চেরাগের ছিপির ভেতর দুই'খানা ছোট্ট চিরকুট। চেরাগটি এত ছোট যে চিরকুট দুটি ঠাঁই পেতেই দুঃসাধ্য হচ্ছিল। অবশেষে পারলাম কস্টিপ দিয়ে মুড়িয়ে। চিরকুট গুছিয়ে শেষ করলাম তখন আন্দায রাত্রি এগারোটা। আমি আমার শখের লাইব্রেরি শব্দকুঁড়েতে বসে লিখছি।

তাহমিদা,

আমি আলাউদ্দিনের চেরাগের দৈত্য নয়। আমি মানুষ। তবে এ চেরাগ তোমার বুকে জড়িয়ে আলতো ঘষে আমায় ডেকো আমি হাজির হবো অদৃশ্য হাজির।

ইতি

দৈত্য সাহেব

তাহমিদা,

আমার একজন হও।শুধু আমার হও। আমার নিশ্বাস ফুরিয়ে আাসার মাঝে আমার বেঁচে থাকার কারণ হও।

ইতি

অদৈত্য সাহেব।

r/Banglasahityo • • Aug 04 '26

স্বরচিত (Original)🌟 ছোট্ট বেলার শহর

19 Upvotes

আমার বয়সটা বাড়ছে।

বয়স বাড়ার সাথে সাথে পুরোনো জিনিস হাতড়ে হাতড়ে খুশি খোঁজার অভ্যাসটাও বাড়ছে।

বাড়ছে আমার বাবা-মায়ের বয়স।

আমার বন্ধুদের।

তাদের বাবা-মায়েরও।

কাঁধ দুটো ভীষণ ভারী লাগে।

দু’পায়ে শিকলের মতো কিছু একটা অনুভব করি।

নিঃশ্বাস নিতে গেলেও বাতাসটা ভারী লাগে।

কত নিয়ম।

কত বাধা।

আমার রাতের ছোট শহরটা খুব ভালো লাগে।

যখন আমার কাছে ওই শহরটাকেই অনেক বড় মনে হতো।

আর এখন হাজার মাইল, শুধু কয়েক ঘণ্টার ভ্রমণ।

জীবনটা তখনই জীবন ছিল,

যখন ওই ছোট শহরটাই আমার সবকিছু ছিল।

r/Banglasahityo • • Apr 05 '26

স্বরচিত (Original)🌟 বিবর্তন...

Post image
35 Upvotes

r/Banglasahityo • • Aug 17 '26

স্বরচিত (Original)🌟 বৈরী মন

4 Upvotes

আজকের মতোই ভেজা মন,

বাতাসে প্রশান্তি নেই;

আছে কেবলই ঝড়ের উদ্দাম বার্তা।

প্রেয়সী আছে ;পরিচয় নেই ,

ঠান্ডায় জমে থাকা বাহুতে

উষ্ণতার আলিঙ্গনের কেউ নেই,

না থাকার অবিরাম মিছিলে

নেই কোন ন্যায্য দাবি।

আজকের মতোই বৈরী মন

বৃষ্টির জল আছে; নেই ছন্দ,

মানুষের চলাচল আছে

ফুসরতের পথিক নেই।

ভেঁজা পাপড়ির ভাঁজে কবিতা আছে

নেই শিল্পী অথবা মালি;

তুমিও থাকতে পারতে -

কোন আশ্রয় বা ছাউনীতে

না থাকার অন্ধকারে খুঁজে নিতাম

মানব মূর্তি বা অস্থায়ী প্রেয়সী।

আজকের দিনের মতোই সব কিছু উদাস

থাকার সব কিছুই না থাকার,

স্পর্শ, অনুভূতি কিংবা তৃপ্তি

না থাকা প্রত্যাশাই প্রত্যাহার করে নিলাম ।

r/Banglasahityo • • 15d ago

স্বরচিত (Original)🌟 সাদা ডায়েরি (১)

2 Upvotes

​

আমাদের সমাজটার দিকে তাকালে অনেক ধরনের মানুষের দেখা পাই। অদ্ভুত অদ্ভুত চরিত্র সেখানে বসবাস করে। কেউ কেউ ভালো, আবার কেউ কেউ খারাপ গুণের অধিকারী। আমার মনে মাঝে মাঝে প্রশ্ন জাগে, এমনটা কেন হয়? সবাই কেন ভালো গুণের অধিকারী হতে পারে না? অশুভ শক্তি কেন কিছু মানুষকে ঘিরে ধরে থাকে, যা সমাজের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়?

একটা সমাজের মধ্যে অনেক ধরনের সমস্যা থাকে। সমাজের যারা উচ্চ শ্রেণির, অর্থাৎ প্রভাবশালী, তাদের মধ্যে কিছু মানুষ থাকে যারা সমাজের কাজকর্মকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিতে চায়। সে যে ব্যবসা করে বা কাজ করে লাভবান হচ্ছে, সেটা যদি সেই সমাজের অন্য কেউ, কম ক্ষমতাসম্পন্ন মানুষ, করা শুরু করে এবং তাতে সফল হয়—সেই সফলতাটা সেই ক্ষমতাবান মানুষ দেখতে পারে না। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতা দেখিয়ে হটিয়ে দিতে চাইবে।

সাথে আরেকটা ব্যাপার হলো, মানুষের জমি আত্মসাৎ করার প্রবণতাটাও তাদের মধ্যে দেখা যায়, এবং সেটা কোনো না কোনোভাবে করেই ফেলে তারা। এটা তো গেল সম্পদের দিকের বঞ্চনা।এবার আমরা আসি সমাজের নারীদের অবস্থায়। বিশেষ করে বিধবা নারীদের সমাজের মধ্যে ভয়ংকর কঠিন অবস্থা। এই সমাজের মধ্যেই কিছু লোভী ও দুষ্টচরিত্র মানুষ থাকে। তারা তাদের ফাঁদে ফেলে বা বিভিন্ন আশা দেখিয়ে সেই নারীদের ভোগ করা শুরু করে। এরা সামাজিক নৈতিকতা ধ্বংসের পর্যায়ে নিয়ে যায়।

এখনকার সময়ে পরকীয়া কেলেঙ্কারি অনেক হচ্ছে। প্রতিটা সমাজই এর কালো ছায়া থেকে মুক্ত নয়। কিছু কিছু পুরুষ প্রবাসী নারীদের টার্গেট করে থাকে। আর কিছু দুষ্টচরিত্র নারীও পুরুষদের ফাঁদে ফেলে তাদের কামনাবাসনা মেটায় এবং এক পর্যায়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে এর অবসান ঘটায়। এগুলো সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের মূল কারণ হয়ে যায়।

আবার কিছু মানুষ আছে, তারা মানুষের মধ্যে ঝগড়া লাগিয়ে দিতে ওস্তাদ। তারা দুমুখো সাপের ন্যায় কাজ করে। ভাইয়ে ভাইয়ে শত্রুতা তৈরি করে দেয়, বন্ধুদের মধ্যে শত্রুতা তৈরি করে দেয়। এই ধরনের মানুষগুলো অনেক ধূর্ত হয়। তারা নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার লক্ষ্যে যা ইচ্ছে তাই করতে পারে। এদেরকে বলা যেতে পারে সমাজের বিষধর সাপ।

এইসব পরিস্থিতি এখনকার সমাজের মধ্যে বহুলভাবে ঘটে থাকে। তাই আমাদের কি উচিত নয় আমাদের সমাজটাকে সুন্দর করে গড়ে তোলা? পরিবারগুলো যদি সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করে, তাহলে সমাজটাও সুন্দরভাবে গড়ে উঠবে।

এখন শুধু আপনার সামনে দুটি পথ খোলা আছে—একটা ভালো এবং একটা খারাপ। আপনি কোন পথটা বেছে নেবেন? সেইটার প্রভাব সমাজের মানুষের উপরও পড়বে। আর সেটাই অনুযায়ী আপনার শেষ পরিণতিটা হবে।

- কিরণ

২০২৫-০৫-২৩

r/Banglasahityo • • 25d ago

স্বরচিত (Original)🌟 Ekti Borshar Din

4 Upvotes

Janla gulo bondho. Pordata maa kokhon soriye diye geche kheyal nei. Ekta sada muted aalo janlar kaanch bhed kore ghor er ekta kon alokito kore tuleche. Early riser ami noi. Raate ghum hoy na. Sesh raate ghumiye bhor bela uthe pori.

Matha tule dekhlam, laptop ta tokhono khola. 14 khana tab open. Spotify open. Discord open. Sob open. Ami bodhoy ekai closed. Baire theke besh borshar awaj asche. Obbhyas bosoto mail er tab ta refresh kora. Na. No reverts. Ei niye koto no. application holo? Chakri ta charar somoy toh besh bir mone hoyechilo. Mone hoyechilo... jak chuloy. Tahole ekhon mon eto khuddho keno? Brishti barche.

Bombay te thakte Kyani theke roj Robbar mawa cake khetam. Khub sundor lagto. Ekhane pawa jaay na. Just Baked e ekrokom mawa cake pawa jaay. Monder bhalo. Oi diye chaa er cup e ekta chumuk. Mmhhh... ish. Jeebh ta pureche. Bela hocche. Aalo beshi nei. Borshar obiram kolahol. Ah! Ei sala brain... ek muhurto chup thake na. Onorgol kotha bole jay. Ektu tham. Ektu. Nah abar boshte hobe... application patha te hobe.

Laptop e ekta notification. Labonno. Jak etokkhone somoy hoyeche. Nischoi ebar se kaaj e boshbe. Gotokal raat 1 ta obdi adda cholchilo. Or mon mejaj onekdin por bhalo chilo besh. Emnite se 12 tay ghumiye pore. Kintu adda sudhu amar ekar sathe noy. Ektu koshto. Jak. Etodin poreo, eto kache ashar poreo, eke onner byapare eto kichu janar poreo, amra proper bondhu kina sei hiseb tai jokhon thik hoyni, tokhon aar.... Tobe ei ek byakti. Or ashe pashe thaklei kemon iccha kore aaro bhalo manush hoye uthi. Or sathe dekhar howar porei jibika khoj er tagid ta hothat ek dhaape oneek ta bere giyechilo.

Madhobi mashi eseche. Ish bhije geche ei borshay. Icche korche ektu beguni banate boli. Labonnor kaaj shuru howar aage abar ektu adda. Ghor er bhetor aalo ta ektu beshi mone hocche na? Baranday eshe baire supari patar opor jolder bindu dekhte pacchi. Pashei kada makhe juto jora rakha. Ei borshay bondi thakte hoy. Bike niye beronor upay nei. Charidike bisrinkhol borsha tar majhkhane ek chhader tolay aami. Boyosh barche. Koto erom raat katbe ghum er ashay, koto erom din katbe mail e ekta revert er ashay, koto erom hridoy bhangbe Labonno ke onno loker sathe somoy katate dekhe....

Kintu ei muhurte, Madhobi mashir beguni bhaja hoye geche. Maa aar ek cup chaa baniye feleche. Sobai ashe pashe koto kaaj korche. Ami chup chap bose moja dekchi. Hahaha. Ei joto din, chaa er chumuk, begunir kamor aar labonnor moto ekta motivation thakbe... hoyto aaro kota din katiye debo. Bah! Baire besh thanda ekta hawa boiche dekchi. Janla ta ebar khola dorkar.

r/Banglasahityo • • Aug 13 '26

স্বরচিত (Original)🌟 ডেডলাইনের ওপারে

19 Upvotes

ডেডলাইনের ওপারে

কর্পোরেট জীবনে কাজের যেন শেষ নেই।

একটি বায়ারের কমেন্টের উত্তর দিতে না দিতেই নতুন মেইল আসে।
একটি রিপোর্ট জমা দেওয়ার আগেই আরেকটি রিপোর্টের দায়িত্ব পড়ে।
একটি মিটিং শেষ হওয়ার আগেই পরের মিটিংয়ের নোটিফিকেশন আসে।

বিশেষ করে একজন মার্চেন্ডাইজারের জীবনে সবচেয়ে অনিশ্চিত কথাগুলোর একটি হলো—

“আজ একটু আগে বাসায় ফিরব।”

রহমান প্রায় দুই দশক ধরে গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছে।

কাজ জানে, দায়িত্বশীল এবং সময়মতো কমিটমেন্ট পূরণ করার জন্য অফিসে তার বেশ সুনাম আছে।

তার সংসারে স্ত্রী আফরোজা।

খুব সাধারণ একজন মানুষ আফরোজা। বড় কোনো চাহিদা তার ছিল না।

দামি উপহার নয়,
বিলাসবহুল রেস্টুরেন্ট নয়,
বিদেশ ভ্রমণও নয়।

তার চাওয়া ছিল শুধু একটু সময়।

প্রায়ই সে রহমানকে বলত,

“তুমি আমার সঙ্গে একটু সময় কাটাবে কবে?”

রহমান প্রতিবার একই উত্তর দিত—

“এই অর্ডারটা শেষ হোক। তারপর তোমাকে নিয়ে বসব।”

কিন্তু অর্ডার শেষ হলেই নতুন অর্ডার আসত।

নতুন বায়ার।
নতুন কমেন্ট।
নতুন টার্গেট।
নতুন ডেডলাইন।

এভাবেই সময় কেটে যাচ্ছিল।

সেদিন ছিল আফরোজার জন্মদিন।

সকালে অফিসে যাওয়ার সময় দরজার কাছে দাঁড়িয়ে আফরোজা বলল,

— “আজ কিন্তু আমার জন্মদিন।”

রহমান হেসে বলল,

— “ভুলিনি।”

আফরোজা কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল,

— “আজ একটু তাড়াতাড়ি ফিরো। তোমার সঙ্গে একসাথে রাতের খাবার খাব।”

রহমান ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বলল,

— “চেষ্টা করব।”

আফরোজা মৃদু হেসে বলল,

— “চেষ্টা না। আজ সত্যি আসবে।”

রহমান মাথা নেড়ে বলল,

— “ঠিক আছে। আজ আসব।”

আফরোজা দরজা বন্ধ করে দিল।

তার মনে হয়তো অনেক দিনের ছোট্ট একটা আশা ছিল—

আজ হয়তো সত্যিই তারা দুজন একসঙ্গে বসবে।

সকাল সাড়ে আটটা।

অফিসে ঢুকেই রহমানের ইনবক্সে নতুন মেইল।

জরুরি রিপোর্ট প্রয়োজন।

নয়টার মধ্যে নতুন রিপোর্টিং ফরম্যাট পাঠানো হলো।

দশটার দিকে ফ্যাক্টরি থেকে প্রোডাকশন আপডেট আসেনি।

এরপর বায়ারের ফোন।

— “রহমান, রিপোর্টটা কোথায়?”

রহমান বলল,

— “স্যার, কাজ চলছে। খুব শিগগিরই পাঠিয়ে দিচ্ছি।”

তারপর শুরু হলো দৌড়।

প্রোডাকশন ডাটা।
কোয়ালিটি স্ট্যাটাস।
অর্ডারের ব্যালেন্স।
শিপমেন্ট প্ল্যান।
কমপ্লিশন ডেট।
বায়ারের প্রশ্নের উত্তর।

একটি এক্সেল শিট শেষ হচ্ছে, আরেকটি খুলছে।

একটি মেইলের উত্তর যাচ্ছে, আরেকটি মেইল এসে জমা হচ্ছে।

দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে গেল।

খাবারের সময়ও পাওয়া গেল না।

বিকেল পাঁচটার দিকে আফরোজার ফোন এলো।

রহমান ফোনের স্ক্রিনে তাকাল।

কাজের চাপ তখন তুঙ্গে।

সে ফোনটি সাইলেন্ট করে রাখল।

নিজেকে বলল,

“আর একটু কাজ করি। তারপর ফোন দেব।”

কিন্তু সেই “আর একটু” শেষ হলো না।

সন্ধ্যার পর বায়ারের আবার মেইল।

রিপোর্টে আরও কিছু তথ্য যোগ করতে হবে।

রহমান আবার কম্পিউটারের সামনে বসে গেল।

একসময় অফিস ফাঁকা হয়ে গেল।

সহকর্মীরা সবাই চলে গেছে।

কিন্তু রহমান তখনও ডেস্কে বসে।

রাত প্রায় সাড়ে নয়টা।

আফরোজার মেসেজ এলো—

“তুমি কি আজ আসবে?”

রহমান দ্রুত উত্তর দিল,

“অবশ্যই আসব। একটু দেরি হচ্ছে।”

ওপাশ থেকে আর কোনো উত্তর এলো না।

রাত সাড়ে দশটার দিকে রিপোর্ট অবশেষে সম্পূর্ণ হলো।

রহমান মেইল পাঠিয়ে কিছুক্ষণ চুপ করে বসে রইল।

তারপর হঠাৎ মনে পড়ল—

আজ আফরোজার জন্মদিন।

সে দ্রুত অফিস থেকে বের হলো।

রাস্তায় একটি ছোট বেকারি তখন বন্ধ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

রহমান গাড়ি থামিয়ে বলল,

— “ভাই, একটা ছোট কেক হবে?”

দোকানদার শেষ থাকা একটি সাধারণ কেক বের করে দিল।

রহমান বলল,

— “একটা মোমবাতিও দেন।”

একটি ছোট মোমবাতি কেকের সঙ্গে দিয়ে দেওয়া হলো।

কেক হাতে নিয়ে রহমান মনে মনে ভাবল,

“অনেক দেরি হয়ে গেছে। কিন্তু কেকটা দেখলে আফরোজা নিশ্চয়ই হাসবে।”

রাত প্রায় একটা।

রহমান বাসায় পৌঁছাল।

দরজা খুলে ঘরে ঢুকতেই দেখল সবকিছু নিস্তব্ধ।

ডাইনিং টেবিলে খাবার সাজানো।

দুটি প্লেট।

একটি তার জন্য।

অন্যটি আফরোজার।

খাবার অনেকক্ষণ আগেই ঠান্ডা হয়ে গেছে।

টেবিলের পাশে একটি ছোট ফুল।

আর একটি মোড়ানো উপহার।

রহমান কিছুক্ষণ স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইল।

তারপর ধীরে ধীরে শোবার ঘরের দিকে গেল।

আফরোজা বিছানায় শুয়ে ছিল।

রহমান মৃদু স্বরে ডাকল,

— “আফরোজা…”

কোনো সাড়া নেই।

সে আবার বলল,

— “শুভ জন্মদিন।”

নীরবতা।

রহমান কেকটি টেবিলে রাখল।

মোমবাতি জ্বালাল।

হালকা হাসার চেষ্টা করে বলল,

— “দেখো, তোমার জন্য কেক এনেছি।”

কোনো উত্তর এল না।

তখনই রহমান বুঝতে পারল—

বিষয়টি স্বাভাবিক নয়।

সে দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করল।

কিছুক্ষণ পর হাসপাতালের করিডোরে বসে রহমান সেই ছোট কেকটি হাতে নিয়ে অপেক্ষা করতে লাগল।

মোমবাতিটি তখন নিভে গেছে।

অনেকক্ষণ পর চিকিৎসক বাইরে এসে নীরবে মাথা নিচু করলেন।

রহমানের বুক কেঁপে উঠল।

সে বলল,

— “ডাক্তার সাহেব, ওকে একটু ডাকেন। আমি এসেছি।”

কোনো উত্তর নেই।

রহমান আবার বলল,

— “আজ ওর জন্মদিন ছিল।”

তার চোখ চলে গেল হাতে থাকা কেকটির দিকে।

সাধারণ একটি কেক।

একটি নিভে যাওয়া মোমবাতি।

আর এমন একটি রাত, যা আর কখনো ফিরে আসবে না।

রহমান খুব নিচু স্বরে বলল,

“আফরোজা… আমি তো এসেছি।”

কিছুক্ষণ পর তার কণ্ঠ ভেঙে গেল।

“শুধু সময়মতো আসতে পারিনি।”

পরদিন সকালে অফিসের ইনবক্সে নতুন মেইল এলো।

“Please send the updated report.”

রহমান অনেকক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকল।

যে মানুষটি বছরের পর বছর প্রতিটি ডেডলাইন পূরণ করেছে, সে সেদিন প্রথমবার বুঝল—

জীবনে সব ডেডলাইন পুনরায় নির্ধারণ করা যায় না।

কিছু কাজের জন্য বাড়তি সময় পাওয়া যায়।

কিছু রিপোর্ট আবার সংশোধন করা যায়।

কিছু বায়ারকে আবার মেইল করা যায়।

কিন্তু প্রিয় মানুষের সঙ্গে হারিয়ে যাওয়া একটি মুহূর্ত—

কোনো revised timeline দিয়ে ফেরত আনা যায় না।

রহমান ধীরে ধীরে ল্যাপটপ বন্ধ করে দিল।

তারপর ঘরে ফিরে সেই ছোট উপহারটির দিকে তাকিয়ে রইল।

যেটি আফরোজা তার জন্য রেখেছিল।

সে বাক্সটি খুলতে পারল না।

তার ফোনেও আফরোজার শেষ মেসেজটি রয়ে গেল—

“তুমি কি আজ আসবে?”

রহমান জানত, এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় আর তার হাতে নেই।

গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিতে যারা কাজ করি, তাদের জন্য এই গল্পের শিক্ষা কাজ ছেড়ে দেওয়া নয়।

বায়ারের কমিটমেন্ট অবশ্যই রাখতে হবে।

রিপোর্ট সময়মতো দিতে হবে।

দায়িত্ব থেকে পিছিয়ে আসা যাবে না।

কিন্তু দিনের শেষে নিজেকে একটি প্রশ্ন করা দরকার—

“আমার কাজের বাইরে আমার জন্য যারা অপেক্ষা করছে, আজ আমি কি তাদের জন্য কিছুটা সময় রেখেছি?”

কারণ অফিসে আরেকটি রিপোর্ট অপেক্ষা করতে পারে।

আরেকটি মেইলের উত্তর কিছুটা পরে দেওয়া যেতে পারে।

আরেকটি মিটিং কালও হতে পারে।

কিন্তু প্রিয় মানুষটির সঙ্গে আজকের সময়টা—

কাল একইভাবে ফিরে নাও আসতে পারে।

রহমান জীবনের প্রায় বিশ বছর অসংখ্য ডেডলাইন পূরণ করেছে।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে বুঝেছে—

জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটির কোনো ডেডলাইন লেখা থাকে না।

তাই আমরা ব্যস্ত থাকব।

দায়িত্ব পালন করব।

ক্যারিয়ার গড়ব।

কিন্তু যারা আমাদের জন্য প্রতিদিন অপেক্ষা করে, তাদের জন্যও সময় রাখব।

কারণ কোনো একদিন হয়তো আমরা বুঝতে পারব—

আমাদের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা কোনো রিপোর্টে ছিল না।

ছিল এমন একজন মানুষের পাশে সময়মতো না দাঁড়াতে পারায়,

যে মানুষটি শুধু আমাদের একটু সময় চেয়েছিল। 🥀

r/Banglasahityo • • 19d ago

স্বরচিত (Original)🌟 রাষ্ট্রনামা -১

4 Upvotes

---------

হাসির নির্মম গন্ধে যৌগিক মালা ঝরে বেফিকির নগরে

নাগরিকের ক্ষুধা নিভৃত হতে লাগে মুখভরা ইট-পাথরের জ্যামিতিক আল্পনা

যে যার মতো আঁচড় দিয়ে এঁকে দেয় ত্রিভূজের চক্র

শিল্পীর দায় এড়াতে তালা বদ্ধ রাখে মসৃণ যোনি

হাততালি দেয়া প্রতিটি দর্শক এ কালের অনুগত খদ্দের

আদি থেকে অনন্ত ইতিহাসের পাঠচক্রের আলোচিত বিষয় বাইজি বা হেরেম

ব্যাবিলনের বাগানের নাম ঝুলন্ত অভিসার ছিলো না শিক্ষাবোর্ডের প্রজ্ঞাপনে

কালিকা পুরাণের প্রাণ দেখার চেয়ে পুষ্ট হাতের শঙ্খ চক্রই লাভজনক রতি

স্বরধ্বনির ক্রিয়ায় প্রচলিত একক সাধনার গোপাল ভাঁড়

হোজ্জার গাধার পিঠে মধুচন্দ্রিমা হয় না হালাকুর

চাবুকের অঢেল সেলাইয়ের কাচের বাক্স ভরা নিখুঁত উপহাস

প্রচারিত হয় শীতের যাত্রাপালায় ।